বুধবার, ১০ Jun ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন

ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলকে একা ছেড়ে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের

ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলকে একা ছেড়ে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের

নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:

ইরানের সঙ্গে পুনরায় যুদ্ধে জড়ালে ইসরায়েলকে সম্পূর্ণ একা লড়তে হতে পারে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পাশে থাকবে না। গত এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর সোমবার (৮ জুন) দুই দেশের মধ্যে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সামরিক উত্তেজনা তৈরির পর ট্রাম্পের এই কড়া অবস্থান সামনে এলো।

হামলা-পাল্টা হামলার বিবরণ
রবিবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলার জবাবে উত্তর ইসরায়েলে ঝাঁকে ঝাঁকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুরোধ উপেক্ষা করে সোমবার ভোরে ইসরায়েলি বাহিনী পুনরায় ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইরানও ইসরায়েলের হাইফা শহরের কারখানা ও দুটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। এই সংঘাতের রেশ ধরে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরাও ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে।

নেতানিয়াহু ও রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য
এই সামরিক সংঘাতের পর নেতানিয়াহু এক ভাষণে ট্রাম্পের চাপকে হালকা করার চেষ্টা করে বলেন, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার ফক্স নিউজকে বলেন, “কখনও কখনও প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যেও ঝগড়া হয়।” তিনি দাবি করেন, ইসরায়েল জবাব না দিয়ে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মেনে নিতে পারে না।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও পর্দার আড়ালের কূটনীতি
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই পরিস্থিতির জন্য সরাসরি ওয়াশিংটনকে দায়ী করেছেন। তবে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত নিশ্চিত করেছেন যে, পর্দার আড়ালে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এখনও কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। এদিকে, আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফিলিস বেনিস ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারিকে কেবলই ‘রাজনৈতিক চাল’ বলে অভিহিত করেছেন।

ইরানের সঙ্গে পুনরায় যুদ্ধে জড়ালে ইসরায়েলকে সম্পূর্ণ একা লড়তে হতে পারে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পাশে থাকবে না। গত এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর সোমবার (৮ জুন) দুই দেশের মধ্যে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সামরিক উত্তেজনা তৈরির পর ট্রাম্পের এই কড়া অবস্থান সামনে এলো।

হামলা-পাল্টা হামলার বিবরণ
রবিবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলার জবাবে উত্তর ইসরায়েলে ঝাঁকে ঝাঁকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুরোধ উপেক্ষা করে সোমবার ভোরে ইসরায়েলি বাহিনী পুনরায় ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইরানও ইসরায়েলের হাইফা শহরের কারখানা ও দুটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। এই সংঘাতের রেশ ধরে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরাও ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে।

নেতানিয়াহু ও রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য
এই সামরিক সংঘাতের পর নেতানিয়াহু এক ভাষণে ট্রাম্পের চাপকে হালকা করার চেষ্টা করে বলেন, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার ফক্স নিউজকে বলেন, “কখনও কখনও প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যেও ঝগড়া হয়।” তিনি দাবি করেন, ইসরায়েল জবাব না দিয়ে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মেনে নিতে পারে না।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও পর্দার আড়ালের কূটনীতি
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই পরিস্থিতির জন্য সরাসরি ওয়াশিংটনকে দায়ী করেছেন। তবে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত নিশ্চিত করেছেন যে, পর্দার আড়ালে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এখনও কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। এদিকে, আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফিলিস বেনিস ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারিকে কেবলই ‘রাজনৈতিক চাল’ বলে অভিহিত করেছেন।

( নেত্রকোণার আলো ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 www.netrakon-r-alo.com