সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৭ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
নিজের ২৯তম জন্মদিনের বিশেষ দিনটিকে জয়ে স্মরণীয় করে রাখতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তারকা হামজা চৌধুরী। তবে ফিফা আসিয়ান কাপে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলের শোচনীয় পরাজয়ে দেশের ফুটবলের এই মিডফিল্ডারের জন্য দিনটি পরিণত হয়েছে ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় হতাশায়। বড় ব্যবধানে হারের ক্ষোভ এবং ম্যাচের শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় খেলা শেষে প্রতিপক্ষ ফুটবলারের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনায় জড়িয়ে পড়েন তিনি।
ম্যাচ শেষের মূল বাঁশি বাজার পর ইন্দোনেশিয়ার ফরোয়ার্ড রাগ্নার ওরাটমাঙ্গোয়েনের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন সাধারণত শান্ত স্বভাবের হামজা চৌধুরী। পরবর্তীতে উভয় দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ম্যাচের মূল চিত্রপট ও নাটকীয়তা:
যোগ করা সময়ের নাটক: নির্ধারিত সময় শেষে ২ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়, যেখানে প্রথম মিনিটেই ফারহান আলী ওয়াহিদ বাংলাদেশের হয়ে গোল করে ব্যবধান ৭-২ করেন।
সময় বৃদ্ধি ও গোল বন্যা: ফারহানের গোলের পর আসিয়ান কাপের ফাইনালে ওঠার সমীকরণ কঠিন হয়ে পড়ে ইন্দোনেশিয়ার। ফাইনাল নিশ্চিত করতে তাদের আরও গোল প্রয়োজন হওয়ায় অতিরিক্ত সময় আরও ৫ মিনিট বাড়ানো হয়। শেষ দুই মিনিটে আরও ২টি গোল করে ৯-২ গোলের বিশাল জয় নিয়ে ফাইনালের টিকিট কাটায় ইন্দোনেশিয়া।
বিশ্লেষকদের মতামত: জাতীয় দলের সাবেক ফরোয়ার্ড জাহিদ হাসান এমিলির মতে, বিশাল ব্যবধানে পরাজয়ের মানসিক চাপের পাশাপাশি শেষ দিকে ভিএআর (VAR) পরীক্ষা এবং অতিরিক্ত সময় বারবার বাড়ানো নিয়েই অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল হামজার মধ্যে।
জন্মদিনে এমন বিশাল ব্যবধানের হার এবং অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনা মিলিয়ে অত্যন্ত তিক্ত এক অভিজ্ঞতা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে হামজা চৌধুরী ও পুরো বাংলাদেশ দলকে।