সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান ও সংলাপের প্রস্তাব উপহাস করার মাত্র একদিন পরই পূর্ব সাগরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া। শনিবার (৩ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দেশটির পূর্ব উপকূলীয় ওয়নসান এলাকা থেকে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়।
ঘটনার পরপরই সিউলে জরুরি বৈঠকে বসেছে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ।
সংবাদের মূল আপডেটসমূহ:
ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ও গতিপথ: দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী ও জাপানের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, নিক্ষিপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি পূর্ব সাগরের দিকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়ে সাগরে পতিত হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটির নিখুঁত বৈশিষ্ট্য ও ধরন বিশ্লেষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া।
ঘটনার নেপথ্যে মাইন বিস্ফোরণ: সীমান্তে অসামরিকীকৃত অঞ্চলে (ডিএমজেড) উত্তর কোরিয়ার পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে দক্ষিণ কোরিয়ার তিন সেনা আহত হন। এর জবাবে সিউল পিয়ংইয়ংয়ের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চায় এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং পিয়ংইয়ংকে পুনরায় সংলাপে ফেরার আহ্বান জানান।
কিম ইয়ো জংয়ের কড়া জবাব: শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং সিউলের ক্ষমা চাওয়ার দাবি ও সংলাপের প্রস্তাবকে ‘ঘৃণ্য’ বলে উপহাস করেন। সিউল কোনো পদক্ষেপ নিলে পিয়ংইয়ং ‘যেকোনো কিছুর জন্য প্রস্তুত’ বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সিউল ও মিত্রদের প্রতিক্রিয়া: কিম ইয়ো জংয়ের বক্তব্যের পর দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর বাড়তি চাপ প্রয়োগ করতেই এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিষেশজ্ঞরা। বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান যৌথভাবে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছর এ পর্যন্ত ১০টিরও বেশি সময় ধরে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে তাদের ‘প্রধান শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।