রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
ঢাকাই শোবিজে জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর, চিত্রগ্রাহক (ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি বা ডিওপি) আবদুল মামুন এবং তাঁর কথিত প্রেমিকা তিশাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তিশার অভিযোগ, দীর্ঘ সাত বছরের প্রেমের সম্পর্ক ও দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত হওয়ার পর কেবল সাবিলা নূরের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে বিয়ের মাত্র কয়েক দিন আগে চুক্তি ভেঙে সরে দাঁড়ান মামুন। ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং সেটে তাঁদের মধ্যে এই ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে দাবি তিশার।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিনেত্রী সাবিলা নূর, তাঁর স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহের কিংবা চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে সাবিলা নূর ও তাঁর স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের দীর্ঘ বিবাহিত জীবনে টানাপড়েন ও আলাদা থাকার গুঞ্জন নিয়ে আগে থেকেই শোবিজে নানা চর্চা চলছিল। এর মাঝেই চিত্রগ্রাহক মামুনের প্রেমিকার এমন অভিযোগে সামাজিক মাধ্যম ও বিনোদন পাড়ায় নতুন তোলপাড় শুরু হয়েছে।
অভিযোগ ও বিতর্কের মূল দিকসমূহ:
বিয়ের শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন: দীর্ঘ ৭ বছরের সম্পর্ক শেষে আগামী ১৫ মে তিশা ও ডিওপি মামুনের বিয়ের দিন ধার্য ছিল। তবে ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পর মামুন হঠাৎ বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত জানান।
সাবিলা নূরের বিরুদ্ধে তিশার অভিযোগ: তিশার দাবি, সাবিলা নূর তাঁদের সম্পর্কের কথা জানার পরও একজন নারী হয়ে আরেকটি মেয়ের জীবনে বড় ক্ষতি ডেকে এনেছেন।
দাম্পত্য জীবনের গুঞ্জন: ২০১৯ সালে বিয়ে করা সাবিলা নূর ও তাঁর স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের মধ্যকার সম্পর্কের দূরত্ব নিয়েও বর্তমানে মিডিয়াপাড়ায় আলোচনা চলছে, যদিও বিষয়টি নিয়ে দুজনের কেউই স্পষ্ট কিছু জানাননি।
পরিচালকের বক্তব্য অপেক্ষা: ‘রকস্টার’ সিনেমার পরিচালক আজমান রুশো এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য না করলেও পরবর্তীতে গণমাধ্যমে বিবৃতি দেবেন বলে জানিয়েছেন।