রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস, অবিনাশী চেতনা ও সেই উত্তাল সময়ের গভীর মানবিক আবেগকে সেলুলয়েডের পর্দায় তুলে ধরতে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত অভিনেত্রী ও নাট্যকার বিপাশা হায়াত। পরিচালনার পাশাপাশি চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্যও তিনি নিজেই তৈরি করার পরিকল্পনা করছেন।
বিপাশা হায়াত স্পষ্ট করেছেন, কেবল একজন চলচ্চিত্রকার হিসেবে আত্মপ্রকাশের জন্য তিনি এ উদ্যোগ নিচ্ছেন না। ১৯৭১ সালে জন্ম নেওয়া একজন ‘মুক্তিযুদ্ধের সন্তান’ হিসেবে ইতিহাসের প্রতি নিজের নৈতিক দায়িত্ব ও আত্মিক দায়বদ্ধতা থেকেই তাঁর এই প্রয়াস।
তিনি জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে এবং সুস্থভাবে বেঁচে থাকলে আগামী তিন বছরের মধ্যে তিনি এই চলচ্চিত্রের মূল কাজ শুরু করতে চান। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, গল্প ও সেই ঐতিহাসিক সময়ের আবহ যেন নতুন প্রজন্মের কাছ থেকে হারিয়ে না যায়, তা সংরক্ষণ করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
নিজের অনুভূতির কথা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমি এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে চাই চলচ্চিত্রকার হওয়ার জন্য নয়, দায়িত্ববোধ থেকে। আমি মুক্তিযুদ্ধের সন্তান।”
১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করা এই গুণী অভিনেত্রী আরও জানান, ভৌগোলিকভাবে তিনি বর্তমানে যেখানেই থাকুন না কেন, মনেপ্রাণে নিজেকে সবসময় বাংলাদেশের একজন মানুষ হিসেবেই ধারণ করেন। ভবিষ্যতে স্থায়ীভাবে দেশে ফিরে আসার সম্ভাবনার কথাও তিনি ইতিবাচকভাবেই উল্লেখ করেন।
বিপাশা হায়াতের মতে, এই চলচ্চিত্রটি হবে তাঁর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ এবং অন্তরে লালন করা ভাবনার চূড়ান্ত প্রকাশ। মুক্তিযুদ্ধের রক্তঝরা দিনগুলোর ইতিহাস ও আবেগকে নতুন প্রজন্মের কাছে জীবন্ত করে রাখাই হবে চলচ্চিত্রটির মূল লক্ষ্য।