রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
নারীদের বিভিন্ন বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বিশেষ করে, নারীদের দুটি ফুটবল ম্যাচ পরিচালনায় বাধা দেওয়ার ঘটনায় সরকার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
আজ (৩০ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, “নারীরা বাংলাদেশের নাগরিক এবং পুরুষদের মতোই সমান মানবিক ও নাগরিক অধিকার ভোগ করে। সরকার নাগরিকদের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কেউ যদি নারীদের অধিকার লঙ্ঘন বা বেআইনি বিধিনিষেধ আরোপের সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো ধরনের বৈষম্য ও নিপীড়নের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ইতোমধ্যে দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলা প্রশাসনকে স্থগিত হওয়া ফুটবল ম্যাচ পুনরায় চালুর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকরা জানিয়েছেন, তাদের জেলায় নারী ফুটবল, ক্রিকেট ও কাবাডি ম্যাচ আয়োজিত হয়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।
গত এক মাসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে, দেশের অন্যতম বৃহৎ যুব উৎসব আয়োজন করেছে, যেখানে শত শত গ্রামীণ জেলা ও উপজেলা শহরে নারী ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রফেসর ইউনূস নারী অধিকারের একজন দৃঢ় সমর্থক। তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের ৯০ শতাংশ মালিকানা নারীদের হাতে। সম্প্রতি, তিনি ফিফা প্রধান জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বাংলাদেশে নারী ফুটবলারদের জন্য উন্নত অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন।