বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
‘ভবিষ্যৎ ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করবে না’—জাতীয় নেতাদের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার গুরুত্ব তুলে ধরে এই মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানের হাতে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা তুলে দেন। এবার স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তার পক্ষে নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এই পদক গ্রহণ করেন।
বক্তব্যের মূল দিক:
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেন। তিনি বলেন, “সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে প্রতিশোধ নয়, বরং সহনশীলতা প্রয়োজন।” জ্বালানি তেলের মূল্য প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও জনদুর্ভোগ কমাতে সরকার প্রতিদিন শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে তেলের দাম স্থিতিশীল রাখছে।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা:
ব্যক্তি পর্যায়ে সম্মাননা পেয়েছেন মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), হানিফ সংকেত, জোবেরা রহমান লিনুসহ আরও অনেকে। প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, পিকেএসএফ, এসওএস শিশু পল্লী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এই গৌরবময় পদক লাভ করেছে।