বুধবার, ২৪ Jun ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
১৬ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা রেকর্ড বল দখল করেও জয়বঞ্চিত ইংল্যান্ড, ঘানার ঐতিহাসিক ড্র বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, ৪৪টি জলকপাট খুলে সতর্কবার্তা জারি মেসি-রোনালদোর প্রতি ভক্তদের অন্ধ ভালোবাসা: যা বলছে মনোবিজ্ঞান হাতীবান্ধায় মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু, বাবা গুরুতর আহত শুভ জন্মদিন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি বিশ্বজুড়ে ভক্তদের উন্মাদনা! ৯৮০ দিন পর ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সিতে ফিরছেন নেইমার জামায়াত সমর্থিত ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু স্কটল্যান্ড এর বিপক্ষে খেলবেন কি নেইমার?
চেয়ারে বসা সেই শিক্ষার্থীকে ক্ষমা করে দিলেন প্রধান শিক্ষক

চেয়ারে বসা সেই শিক্ষার্থীকে ক্ষমা করে দিলেন প্রধান শিক্ষক

কুমিল্লা ।। নেত্রকোণার আলো ডটকম:
কুমিল্লার দেবিদ্বারে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ দাবি করে চেয়ারে বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সেই শিক্ষার্থীকে ক্ষমা করে দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক কাজী আলমগীর হোসেন।

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ইউএনও ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষক কাজী আলমগীর হোসেনের কাছে ক্ষমা চাইলে তিনি ক্ষমা করে দেন।

চেয়ারে বসা শিক্ষার্থী দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র।

এর আগে গত বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী আলমগীর হোসেনের পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভ করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ চলাকালে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহযোগিতায় বিদ্যালয় ত্যাগ করেন ওই শিক্ষক।

পরে বিকালে ওই শিক্ষার্থী প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে বসে ছবি তুলে তার নিজের ফেসবুকে পোস্ট দেন। পোস্টে লেখেন ‘‘আমাদের সু-সম্মানিত আলমগীর স্যার কোথায়’’ এরপর মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিটি ছড়িয়ে পড়ে সমালোচনা শুরু হয়।

সভা শেষে নিজের ভুল বুঝতে পারার কথা স্বীকার করে ওই শিক্ষার্থী বলেন, আমি আবেগে স্যারের চেয়ারে বসেছিলাম, স্যারের চেয়ারে বসা আমার ঠিক হয়নি। আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি, স্যারের নিকট ক্ষমা চেয়েছি। স্যার আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। ভবিষ্যতে এমন ভুল আর কখনই করবো না।

প্রধান শিক্ষক কাজী আলমগীর হোসেন বলেন, সে এসএসসি পরীক্ষার্থী। ছোট মানুষ ভুল করেছে, ক্ষমা চাওয়ায় আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। সে এমন ভুল আর কখনই করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি শান্তিপুর্ণ সমাধান হলেও মিথ্যা অভিযোগে একটি মহল এখনো আমাকে চাকরিচ্যুত করার চেষ্টায় লিপ্ত আছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নিগার সুলতানা বলেন, প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে বসা শিক্ষার্থীর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে রোববার বিকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ওই শিক্ষার্থী ক্ষমা চাইলে প্রধান শিক্ষক তাকে ক্ষমা করে দেন।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে কয়েকজন শিক্ষকের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে তাদের শোকজ করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

( নেত্রকোণার আলো ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 www.netrakon-r-alo.com