শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশেই মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সদ্য সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন। এই নির্দেশকে জীবনের ‘এযাবৎকালের সেরা পরামর্শ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি জানান, বড় ধরনের রাজনৈতিক চক্রান্ত ও চরিত্র হননের নীল নকশা থেকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই তাঁকে এ সিদ্ধান্ত নিতে বলেছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন ইশরাক হোসেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়ে এযাবৎকালের সেরা পরামর্শটি দিয়েছিলেন, যা আমি একবাক্যে মেনে নিয়েছিলাম। প্রথমে এটি শাস্তি মনে হলেও সবার আগে তিনিই বুঝতে পেরেছিলেন যে একটি গণমাধ্যম ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী আমার জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী ও ক্ষতিকর পরিকল্পনা সাজিয়ে রেখেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, তাঁর চরিত্র হনন করতে এবং জনসমক্ষে বিতর্কিত করে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ করে দিতে একের পর এক বিধ্বংসী ও মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশের পুরো ছক তৈরি করা হয়েছিল। পাশাপাশি দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে একঘরে করে দেওয়ার চক্রান্ত চলছিল। অতীতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও একই ধরনের অপকৌশল প্রয়োগ করা হয়েছিল বলে স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর আস্থা প্রকাশ করে ইশরাক হোসেন লেখেন, আমি তাঁর প্রতি অন্ধ বিশ্বাস রাখা একজন কর্মী। দেশনায়ক তারেক রহমান আমাকে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করেন এবং সবসময় আমার ভালো চান, যা আমি জীবনে বারবার প্রত্যক্ষ করেছি। আমি একটি কঠিন কাজ শুরু করতে গিয়ে যে ভয়ংকর চক্রান্তের মুখে পড়েছিলাম, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নির্দেশনায় তা এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করতে পেরেছি।
দলের ভেতরে লুকিয়ে থাকা স্বার্থান্বেষী ও সুবিধাবাদীদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ঢাকার এই সংসদ সদস্য লেখেন, নিজ দলের কেউ যদি সুযোগসন্ধানী হয়ে আঁতাত করে, তবে প্রমাণসাপেক্ষে এবং অনুমতি নিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, আমরা ঢাকার মানুষ, খেত-খামারির কূটচাল এখানে চলবে না।