বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর গ্রেপ্তার না হলেও আত্মগোপনে থেকে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের দায় অস্বীকার করেছেন। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী শিশুর পাশে দাঁড়ানোয় চিকিৎসক সাইমা আক্তারকে প্রাণনাশের হুমকি ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে ৫ মিনিটের একটি ভিডিও বার্তায় অভিযুক্ত সাগর দাবি করেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার এবং ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সত্যতা যাচাইয়ের আহ্বান জানান। তবে ঘটনার পর থেকে তিনি স্ত্রী-সন্তানসহ পলাতক রয়েছেন এবং তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া গেছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২২ সালে পাঁচহার গ্রামে অভিযুক্ত শিক্ষক একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুটির মা জীবিকার তাগিদে সিলেটে থাকায় সে নানির কাছে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়ত। গত ২ নভেম্বর শিক্ষক তাকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে শিশুটি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
এদিকে, বিষয়টি নিশ্চিত করা চিকিৎসক সাইমা আক্তার অভিযোগ করেছেন যে, একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দেওয়ার পর থেকে তাকে কুপিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি ফেসবুকে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরের সহায়তা কামনা করেছেন।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, আসামিকে গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে এবং দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।