শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
জর্ডানের সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত এবং একজন নিখোঁজ হয়েছেন । এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন সেনাদের এই প্রাণহানির প্রতিশোধ নিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি নির্দেশে ইরানের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ।
রোববার (১৯ জুলাই) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, শনিবার রাতে চালানো এ হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল জর্ডানে হামলা চালানো ইরানের ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর’ (আইআরজিসি) বাহিনীকে শাস্তি দেওয়া এবং হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেওয়া।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, জর্ডানের আল-আজরাক ঘাঁটিতে তাদের নিখুঁত হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের দুটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে । তবে বিবিসি এ বিষয়ে যোগাযোগ করলেও মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি। অন্যদিকে, জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা আকাশসীমায় ধেয়ে আসা ১০টি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে। বর্তমান সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এ নিয়ে মোট মার্কিন সেনার মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রশাসন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর কঠোর অর্থনৈতিক ও নৌ অবরোধ আরোপ করার পর পাল্টা জবাবে তেহরানও আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে শনিবার গভীর রাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এক কড়া বিবৃতিতে বলেন, আমেরিকার বারবার আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘনের ঘটনা প্রমাণ করে যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের কোনো মূল্য নেই।