শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
ইরানের সঙ্গে ছয় মাস ধরে চলা সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার কূটনৈতিক ও সামরিক পথ (‘অফ-র্যাম্প’) খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্ব। মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন মনে করছেন, ইরানে সামরিক অভিযান আর বাড়ালে তা বিপরীত ফল বয়ে আনতে পারে। কেবল বিমান হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয় বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জেনারেল কেইন সম্প্রতি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফের মতো শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক আলোচনা করেছেন। মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষার পাশাপাশি যুদ্ধের মাত্রা যেন আরও বিপজ্জনক হয়ে না ওঠে, সেজন্যই বিকল্প পথ খোঁজা হচ্ছে।
উদ্বেগের মূল কারণসমূহ:
অস্ত্রের ঘাটতি: দীর্ঘ সংঘাতের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের হাই-টেক গোলাবারুদ ও আকাশ সুরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বিপজ্জনক মাত্রায় কমে এসেছে।
মিত্রদের আশঙ্কা: ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার কথা ভাবলেও, মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদেশগুলো জ্বালানি খাতে ইরানের পাল্টা হামলার ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন।
স্থল অভিযানের ঝুঁকি: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্থলসেনা পাঠাতে অনিচ্ছুক। তবে কেবল বিমানশক্তি দিয়ে কোনো দেশ বাধ্য হয় না বলে সামরিক বিশ্লেষকরা মত দিয়েছেন।
বর্তমানে পেন্টাগন এমন একটি কূটনৈতিক বা কৌশলগত সমাধান খুঁজছে, যা ট্রাম্পকে রাজনৈতিকভাবে প্রতীকী বিজয়ের সুযোগ দেবে এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য যুদ্ধের ঝুঁকি কমাবে।