সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
পেশা নিয়ে অপপ্রচার, আওয়ামী কর্মীদের উদ্দেশ্যে তাসনিম জারার বার্তা মারা গেছেন মেসির বাবা! এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল: এক নজরে ফল জানার সহজ নিয়ম রিজভী আহমেদের বিয়ের দাবি ‘ভিত্তিহীন ও স্বপ্নের বাসর’: কড়া জবাব চিত্রনায়িকা শাবনূরের ঢাকার বাইরে উন্নত চিকিৎসায় চীনের সহায়তায় ২০ হাসপাতাল হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে মানতে হবে ইরানের শর্ত মহেশখালী-হাটহাজারীর পথে প্রধানমন্ত্রী হাসিনার নির্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করা হয়েছিল: তদন্ত সংস্থা আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের অঙ্গীকার: ১০ স্বজনকে প্রধানমন্ত্রীর চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের অঙ্গীকার: ১০ স্বজনকে প্রধানমন্ত্রীর চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান

আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের অঙ্গীকার: ১০ স্বজনকে প্রধানমন্ত্রীর চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান

নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ব্যক্তিদের পরিবারের ১০ সদস্যের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি তাঁদের হাতে এই নিয়োগপত্র তুলে দেন। এ সময় তিনি নিয়োগপ্রাপ্তদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পরিবারের সার্বিক খোঁজখবর নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান—দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে মানুষের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল একটি উন্নত ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলা। যাঁদের আমরা হারিয়েছি বা যাঁরা আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটিই আকাঙ্ক্ষা ছিল—বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।”

রাষ্ট্র ও সরকারের নানা সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়; বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।” বাস্তবতার নিরিখে এই লক্ষ্য নিয়ে ধীরে ধীরে এগোলে আগামী দিনে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

নিয়োগপত্র পাওয়া ১০ জন হলেন—শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আব্দুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি, শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণী, গুরুতর আহত মো. আব্দুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং গুরুতর আহত মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তার।

অনুষ্ঠানে সম্প্রতি চাকরিতে যোগ দেওয়া শহীদ আব্দুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা এবং আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্না উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। চাকরির নিয়োগপত্র পেয়ে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন।

( নেত্রকোণার আলো ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 www.netrakon-r-alo.com