বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
দীর্ঘ দুই দশকের সামরিক উপস্থিতির পর ইরাক থেকে পুরোপুরি বিদায় নিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে উৎখাতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটল। এ উপলক্ষে ইরাকজুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ; সাফল্য উদযাপনে চার দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে ইরাক সরকার।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত সময়সীমার একদিন আগেই শেষ মার্কিন সেনারা ইরাক ত্যাগ করেন। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি এটিকে দেশের পূর্ণাঙ্গ সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ‘নতুন এক যুগের সূচনা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
তবে এই সেনা প্রত্যাহারের ফলে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা শূন্যতা নিয়ে অনেক ইরাকির মনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন বাহিনীর অনুপস্থিতি ইরাকে ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমীকরণে তেহরানকে বড় কৌশলগত সুবিধা দিতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ইরাকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা অবস্থান করছিল। ২০০৪ ও পরবর্তীতে ২০১৪ সালে আইএস বিরোধী অভিযানের পর, ২০২৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চুক্তি অনুযায়ী ধাপে ধাপে সেনাদের সরিয়ে নেয় ওয়াশিংটন।