শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
সাকিব, মুশফিকুর ও তামিমকে নিয়ে মিরাজের খোলামেলা কথা নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের সময় জানাল বিএনপি জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি ‘যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় ইরানে যুদ্ধ অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত’ লেবাননের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ‘আজ কথা বলবেন’ নেতানিয়াহু মত-পথের পার্থক্য থাকতে পারে, তর্ক-বিতর্ক যেন শত্রুতায় রূপ না নেয় ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা, বাংলাদেশে কবে? রাত ২টা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাইনি, সংসদে জামায়াত এমপি বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে কালীগঞ্জের কাঁকরোল

মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে কালীগঞ্জের কাঁকরোল

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের বির্তুল গ্রামে কোনো প্রকার বালাইনাশক ছাড়াই বিভিন্ন কৃষিপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সবজি চাষ করা হচ্ছে। বিশেষ করে এখানে চাষ করা কাঁকরোলের বেশ চাহিদা রয়েছে। রাজধানীসহ দেশের আশপাশের বাজারগুলোর চাহিদা মিটিয়েও যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে।

জানা গেছে, উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের বালু নদী তীরবর্তী গ্রাম বির্তুল। ঢাকার লাগোয়া এ উপজেলার এ গ্রামটির নিরাপদ সবজির চাহিদা দেশজুড়ে। বিশেষ করে এ গ্রামে চাষ করা কাঁকরোল উৎপাদন আশেপাশের গ্রামের চাষিদের অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে। কাঁকরোল চাষে গ্রামটির চাষিদের সফলতায় একই ইউনিয়নের গাড়ারিয়া, বাগদী, পারওয়ান এবং পানজোরা গ্রামের চাষিরাও বিষমুক্ত সবজি কাঁকরোল চাষ করছেন।

স্থানীয় কৃষি অফিসের তথ্য বলছে, টারজান ফেরোমান ফাঁদ, সেক্স ফেরোমান ফাঁদ, হলুদ স্টিকি ট্র্যাপ, হাত পরাগায়ন, আইপিএ প্রযুক্তি, ব্যাগিং, সুস্থ ও ভালো বীজ, সুষম সার, মালচিং, ভার্মি কম্পোস্ট এবং জৈব বালাইনাশকের মাধ্যমে এ গ্রামগুলোতে নিরাপদ সবজি কাঁকরোল চাষ হচ্ছে।

কৃষির সাথে সংশ্লিষ্টরা জানান, শুধু নিরাপদ সবজির গ্রাম নয়, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত একটি করে নিরাপদ সবজি বাজার করা জরুরি। তাহলে কৃষকেরা সিন্ডিকেটের বাইরে গিয়ে ন্যায্য মূল্যে সবজি বিক্রি করতে পারবে।

কথা হয় বির্তুল গ্রামের নিহার চন্দ্র দাস, রমেশ চন্দ্র দাস ও জোবায়েল ভূঁইয়াসহ কয়েকজন কাঁকরোল চাষির সাথে। তারা জানান, কাঁকরোলের চাহিদা থাকায় পাইকাররা বাড়ি থেকে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এতে বাজারে নিয়ে যাওয়ার ঝামেলা থাকছে না। যাতায়াত খরচও কমে যাচ্ছে। ফলে আমাদের লাভের পরিমাণ বেড়েছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, দেশের বাইরের চাহিদার কথা চিন্তা করে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। এছাড়াও কৃষকদের বিভিন্ন সহযোগিতা করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফারজানা তাসলিম বলেন, কালীগঞ্জ উপজেলার সম্ভাবনাময় ফসল কাঁকরোল। কারণ এটি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।

( নেত্রকোণার আলো ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 www.netrakon-r-alo.com