শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনলাইনে চলছে মাদক ব্যবসা, অর্থ পাচার রুখতে আসছে কঠোর ও আধুনিক আইন চীনা ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম, জেনে নিন আজকের রেট! ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা! ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেইমারের প্রত্যাবর্তন ও ভিনিসিয়ুসের রেকর্ডে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ব্রাজিল ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু নেইমারের প্রত্যাবর্তনে ব্রাজিলে স্বস্তি, সামনে ঐতিহাসিক রেকর্ড ১৬ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা
‘অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ ৪ বছরের কম হওয়া উচিত’

‘অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ ৪ বছরের কম হওয়া উচিত’

অনলাইন ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনের (কপ২৯) ফাঁকে আল–জাজিরাকে এই সাক্ষাৎকার দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সংগৃহীত ছবি

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ চার বছরের কম হওয়া উচিত, এটা আরও কম হতে পারে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল–জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেছেন।

সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনের (কপ২৯) ফাঁকে আল–জাজিরাকে এই সাক্ষাৎকার দেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল রবিবার সাক্ষাৎকারটি সম্প্রচার করেছে আল–জাজিরা।

সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়সীমা কী হতে পারে-জানতে চাইলে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা অন্তর্বর্তী সরকার। আমরা স্থায়ী সরকার নই। নিয়মিত সরকার পাঁচ বছরের হয়। নতুন সংবিধানে সরকারের মেয়াদ সম্ভবত চার বছর হতে পারে। কারণ, মানুষ সরকারের মেয়াদ কম চায়। সুতরাং এটা (অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ) চার বছরের কম হওয়া উচিত, এটা নিশ্চিত। এটা আরও কম হতে পারে। এটা পুরোটা নির্ভর করছে মানুষ কী চায়, রাজনৈতিক দলগুলো কী চায় তার ওপরে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি রাজনৈতিক দলগুলো চায় এটা (সংস্কার) ভুলে যাও, নির্বাচন দাও। তাহলে সেটা করা হবে।’

অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি চার বছর থাকছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমি তা বলিনি যে চার বছর। আমি বলেছি, এটা সর্বোচ্চ মেয়াদ হতে পারে। তবে আমাদের উদ্দেশ্য তা নয়। আমাদের উদ্দেশ্য যত দ্রুত সম্ভব শেষ করা।’

সাক্ষাৎকারে ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেছেন, তিনি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন। সেখান থেকে বাংলাদেশে বিক্ষোভের ডাক দিচ্ছেন। এগুলো বাংলাদেশের জন্য উপকারী নয়। তাই ভারতের কাছে তারা এসব বিষয়ে বলছেন। তাকে আশ্রয় দিচ্ছে, ঠিক আছে। কিন্তু এমনটা হতে থাকলে তাদের কাছে আবার অভিযোগ করা হবে।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না, সে প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আইনি প্রক্রিয়া চলছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তার প্রত্যাবর্তন চাওয়া হবে।

আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কিনা জানতে চাইলে ড. ইউনূস বলেন, জীবনসায়াহ্নে তার এ ধরনের কোনো ইচ্ছা নেই। তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন না। তিনি রাজনীতিক নন।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ সম্পর্কেও কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। এ প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, যাদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে তারা সংখ্যালঘু বলে নির্যাতিত হচ্ছে না। তাদের ওপর নির্যাতনের কারণ তারা সবাই আওয়ামী লীগ করতেন। বেশির ভাগ হিন্দুই আওয়ামী লীগ করেন। মানুষ আওয়ামী লীগের ওপর ক্ষুব্ধ। বাংলাদেশে ব্যাপক সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ ভারতের গণমাধ্যমের প্রপাগান্ডা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে এখানে সেখানে কিছু প্রকল্প নিলেই এ সংকটের সমাধান হবে না। এ সমস্যা রোধে মানুষের জীবনধারায় পরিবর্তন আনতে হবে।

( নেত্রকোণার আলো ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 www.netrakon-r-alo.com