শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন
নেত্রকোণার আলো ডটকম ডেস্ক:
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ থাকলে এবং আদালত প্রয়োজন মনে করলে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করতে পারবে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) অধ্যাদেশে সংশোধনী প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করা হয়েছে।
এই খসড়া আগামীকাল বুধবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এ তথ্য জানান। তিনি জানান, সংশোধনীটি গ্রহণ করা হলে এটি আইনে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু হবে।
‘অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিন: আইন মন্ত্রণালয়ের কৈফিয়ত’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এ কিছু বিচ্যুতি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠন ও সুশীল সমাজের মতামত নিয়ে আইনের গ্রহণযোগ্যতা ও সুবিচার নিশ্চিত করতে ব্যাপক পরামর্শ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “সরকার চায় বিচার দেশীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য হোক। সংশোধনীর মাধ্যমে এই আইনের গুরুত্ব ও যৌক্তিকতা আরও বৃদ্ধি পাবে।”
রাজনৈতিক দলের বিচারের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানান, আদালত সরাসরি শাস্তি দিতে পারবে না। তবে প্রয়োজন মনে করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, “খসড়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা নির্বাচন কমিশনের মতো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কথা উল্লেখ নেই। তবে আদালত মনে করলে সুপারিশ করতে পারে। এটি উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।”
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে আইন উপদেষ্টা নিশ্চিত করেন যে সংশোধনীতে রাজনৈতিক দলের বিচারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে এটি চূড়ান্ত রূপ পেতে উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন প্রয়োজন।
উপদেষ্টা পরিষদ সংশোধনীটি অনুমোদন করলে এটি বৃহস্পতিবারের মধ্যেই আইনে পরিণত হতে পারে। এর পর প্রক্রিয়াগত দিক শেষ করে কার্যকর করা হবে বলে জানান আইন উপদেষ্টা।