রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বাংলাদেশে এসে কেন কেঁদেছিলেন শাকিরা যুক্তরাষ্ট্র না থাকলে ইসরাইল চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যেত: ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য একাধিক সুখবর কাতারের উপহার দেওয়া ‘উড়ন্ত প্রাসাদ’ উন্মোচন করলেন ট্রাম্প জেনে নিন আজকের খেলার টিভি গাইড খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় মহাসমাবেশ আজ, প্রধান অতিথি ডা. শফিকুর রহমান টানা দুই দফায় কমলো স্বর্ণের দাম, নতুন মূল্য কার্যকর ব্রাজিলের হাফটাইমে গোল সংখ্যা একটা দলের সারাজীবনের বিশ্বকাপ ট্রফির সমান! মেসিকে টপকে ফিফা পাওয়ার র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে ইরানের রামিন রেজায়িয়ান! ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
নেত্রকোণায় মোমের আগুনে পুড়েছে মন্দিরের আসন,পুজার সরঞ্জামাদি     

নেত্রকোণায় মোমের আগুনে পুড়েছে মন্দিরের আসন,পুজার সরঞ্জামাদি     

নিজস্ব প্রতিবেদক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:

নেত্রকোণার খালিয়াজুরী উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের মেন্দিপুর জয় দুর্গা আশ্রমের মন্দিরে থাকা আসন ও আসনের পাশের পুজার সরঞ্জামাদি, গুরু মায়ের জন্যে রক্ষিত বিছানাসহ একটি খাট  আগুনে পুড়ে গেছে। পুলিশ ও মন্দির কর্তৃপক্ষ বলছে, মোম,আগরবাতি বা প্রদীপের আগুন থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

শুক্রবার রাত ১০টার পর থেকে ভোর  ৫টার মধ্যে কোন এক সময়ে এই আগুন লাগার ঘটনা হয়েছে বলে খালিয়াজুরী থানার ওসি মকবুল হোসেন তালুকদার জানিয়েছেন।

ওসি বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত ৮টা নাগাদ অন্য দিনের মতো মন্দিরের যে কক্ষে আসন পাতা রয়েছে সেই কক্ষে মোম, প্রদীপ, আগরবাতি জ্বালিয়ে পুজা অর্চনা করেন পুজারীরা। পুজা শেষে তারা    মন্দিরের কক্ষটিতে তালা লাগিয়ে  চলে যান । ভোর ৫টার দিকে আবারো পুজারীরা পুজা অর্চনার জন্যে মন্দিরের গেলে সেই কক্ষটি থেকে আগুনের ধোঁয়া বেরোতে দেখেন। তখন তালা খুলে ঘরে ঢুকে আগুনে আসন, পুজার সরঞ্জামাদি ও বিছানাসহ খাট পুড়ে গেছে দেখতে পান পুজারীরা।

খবর পেয়ে  খালিয়াজুরী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন চক্রবর্তীসহ আমি  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। তিনি বলেন, তালা লাগানো অবস্থায় ভিতরে আগুন মোমবাতি, আগরবাতি থেকেই লেগেছে। মন্দিরের পুজারীরাও তাই বলেছেন। এ বিষয়ে কোন অভিযোগ নেই মন্দির কর্তৃপক্ষের।

জয় দুর্গা আশ্রম কমিটির সহ সম্পাদক নারায়ন পাল বলেন, রাতে পুজা শেষে মন্দিরের কক্ষটিতে তালা লাগিয়ে সবাই চলে যান। ভোরে মন্দিরের সেবায়েত জয়দেব দাস পুজা দিতে গিয়ে দেখেন ঘর থেকে ধোঁয়া বেরুচ্ছে। তখন ঘরের তালা খুলে তিনি দেখেন আসন ,পুজার সরঞ্জাম, গুরু মায়ের খাট,বিছানা  পুড়ে গেছে। এটি মোম, আগরবাতির আগুণ থেকেই যে লেগেছে তা স্পষ্ট বুঝা যায়।

১৯৫৯ সালে মেন্দিপুর গ্রামে আশ্রম প্রতিষ্ঠার পর প্রতিবছর বাৎসরিক কীর্তন, প্রতিদিন প্রভাতী প্রার্থনা, সন্ধ্যা আরতি ও নৃত্যভোগ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

( নেত্রকোণার আলো ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 www.netrakon-r-alo.com