শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
নেত্রকোণার আলো ডটকম ডেস্ক:
কোটা সংস্কার আন্দোলন ও এর পরবর্তী ঘটনায় হত্যাকাণ্ড, গণহত্যা এবং নির্যাতনের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার মন্ত্রিসভার সদস্য, উপদেষ্টা, ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, সাবেক বিচারপতি এবং শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) হবে। তবে, এর জন্য ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত আইনে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া একটি ধারায় ৫ আগস্ট পর্যন্ত করা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গণহত্যা চালানোর অপরাধে অভিযুক্তদের বিচার করা যাবে।
সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো গুম (এনফোর্সড ডিজ্যাপিয়ারেন্স) এবং মানব পাচার, যৌন নির্যাতন, যৌন দাসত্ব এর মতো অপরাধও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আইনের এখতিয়ার এখন শুধু বাংলাদেশে নয়, বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের অন্য দেশে ঘটিত অপরাধের বিচার করা সম্ভব।
অন্যদিকে, আইন অনুসারে, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ছাড়াও পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, আনসার এবং গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদেরও বিচার করা যাবে।
এছাড়া, প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে, যেমন আসামিপক্ষের জন্য সাক্ষ্য গ্রহণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সাক্ষীর নিরাপত্তা এবং ক্ষতিপূরণ প্রদান সহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আইন সংশোধনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের বিচার নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।