শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জয়ন্তী। বাঙালির আবেগ ও আশ্রয়জুড়ে থাকা এই কবির সৃষ্টিশীলতা নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। তবে কবির গম্ভীর মূর্তির আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক অসাধারণ রসবোধ। কথাসাহিত্যিক তাপস রায়ের ‘রসিক রবীন্দ্রনাথ’ বইয়ে কবির জীবনের এমনই এক মজার ‘কনে দেখা’র গল্প উঠে এসেছে।
একবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মেয়ে দেখতে গিয়েছেন। সেখানে দুটি অল্পবয়সী মেয়ে বসল। একজন বেশ সুন্দরী, চটপটে এবং স্মার্ট; চমৎকার ইংরেজি উচ্চারণ আর পিয়ানো বাজিয়ে কবিকে মুগ্ধ করে দিলেন তিনি। অন্যজন এক কোণে জড়ভরতের মতো শান্ত হয়ে বসে ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ মনে মনে সুন্দরী মেয়েটিকেই কনে হিসেবে পছন্দ করে ফেললেন।
কিন্তু খানিক বাদেই ঘটল বিপত্তি! বাড়ির কর্তা ঘরে ঢুকে সুন্দরী মেয়েটিকে দেখিয়ে বললেন, “ইনি আমার স্ত্রী।” আর শান্ত মেয়েটিকে দেখিয়ে বললেন, “ইনি আমার মেয়ে।” এই চরম বিভ্রান্তির গল্প কবি পরে মৈত্রেয়ী দেবীকে শুনিয়েছিলেন নিজের চিরচেনা রসিকতায়। কবি বলেছিলেন, “মাঝে মাঝে অনুশোচনা হয়! তবে শুনেছি মেয়েটি বিয়ের দুই বছর পরই বিধবা হয়েছে। তাই ভাবি ভালোই হয়েছে, কারণ স্ত্রী বিধবা হলে আমার আবার প্রাণ রাখা শক্ত হতো!