রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বাংলাদেশে এসে কেন কেঁদেছিলেন শাকিরা যুক্তরাষ্ট্র না থাকলে ইসরাইল চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যেত: ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য একাধিক সুখবর কাতারের উপহার দেওয়া ‘উড়ন্ত প্রাসাদ’ উন্মোচন করলেন ট্রাম্প জেনে নিন আজকের খেলার টিভি গাইড খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় মহাসমাবেশ আজ, প্রধান অতিথি ডা. শফিকুর রহমান টানা দুই দফায় কমলো স্বর্ণের দাম, নতুন মূল্য কার্যকর ব্রাজিলের হাফটাইমে গোল সংখ্যা একটা দলের সারাজীবনের বিশ্বকাপ ট্রফির সমান! মেসিকে টপকে ফিফা পাওয়ার র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে ইরানের রামিন রেজায়িয়ান! ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
পাকিস্তানের চেয়ে ভারতের পারমাণবিক অস্ত্র এখন বেশি, বলছে গবেষণা

পাকিস্তানের চেয়ে ভারতের পারমাণবিক অস্ত্র এখন বেশি, বলছে গবেষণা

নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:

বিশ্বজুড়ে তীব্র হচ্ছে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা। এই দৌড়ে এবার পাকিস্তান ও ইসরায়েলকে ছাড়িয়ে গেছে ভারত। সোমবার (৮ জুন) সুইডেনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ (সিপ্রি)-এর ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের কাছে পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র (ওয়ারহেড) রয়েছে ১৯০টি, যা পাকিস্তানের (১৭০টি) চেয়ে ২০টি বেশি। ভারত ইতোমধ্যে ১২টি পারমাণবিক অস্ত্র সরাসরি মোতায়েনও করে রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের পরমাণু কর্মসূচির মূল লক্ষ্য এখন আর শুধু পাকিস্তান নয়, বরং পুরো চীনজুড়ে আঘাত হানতে সক্ষম দূরপাল্লার অস্ত্র তৈরি করা। অন্যদিকে, আগামী এক দশকে পাকিস্তানও তাদের পরমাণু অস্ত্রাগার আরও বড় করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিপ্রি-এর মতে, ২০২৫ সালের মে মাসে কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার জেরে ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ সামরিক অভিযান দুই দেশের পারমাণবিক ঝুঁকির আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের ৯টি দেশের কাছে মোট ১২,১৮৭টি পারমাণবিক বোমা রয়েছে, যার প্রায় ৮৩ শতাংশই রয়েছে রাশিয়া ও আমেরিকার দখলে।

( নেত্রকোণার আলো ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 www.netrakon-r-alo.com