মঙ্গলবার, ০৭ Jul ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মিশরের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনছেন স্কালোনি ট্রাম্প-নেতানিয়াহু সম্পর্কে ফাটল, নতুন সমীকরণের আভাস সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানই শূন্য, কোন নির্বাচন আগে হবে? রাজধানীর লেক দূষণমুক্ত করতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর তরুণদের স্পেন নাকি রোনালদোর পর্তুগাল? কে হাসবে শেষ ষোলোর মহারণে! মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা ইরানের জন্য ২০টি শক্তিশালী সু-৩৫ যুদ্ধবিমান প্রস্তুত করল রাশিয়া এটাই আমার শেষ বিশ্বকাপ’—স্পেন ম্যাচের আগে রোনালদোর আবেগঘন ঘোষণা! মায়ের হাতের রান্না মানুষের এত প্রিয় হয় কেন? যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি হলেও নীতি বদলাবে না ইরান: গালিবাফ
মায়ের হাতের রান্না মানুষের এত প্রিয় হয় কেন?

মায়ের হাতের রান্না মানুষের এত প্রিয় হয় কেন?

নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:

‘পৃথিবীর সবচেয়ে সুস্বাদু খাবার কোনটি?’—বিরিয়ানি, পিৎজা নাকি অন্য কিছু? বিশ্বের কোটি কোটি মানুষকে এই প্রশ্ন করা হলে একটি উত্তরই বারবার ফিরে আসে—‘মায়ের হাতের রান্না’। একই রেসিপি ও উপকরণ ব্যবহার করেও কেন অন্য কেউ মায়ের রান্নার সেই অতুলনীয় স্বাদ দিতে পারে না? এর পেছনে শুধু আবেগই নয়, রয়েছে চমকপ্রদ বৈজ্ঞানিক ও মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের মস্তিষ্কে স্মৃতি ও গন্ধের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। ছোটবেলায় মায়ের হাতের খাবারের যে গন্ধ ও স্বাদের সঙ্গে মানুষের পরিচয় হয়, তা মস্তিষ্কে ‘নস্টালজিক ফুড মেমোরি’ হিসেবে জমা থাকে। এছাড়া গর্ভাবস্থা ও মাতৃদুগ্ধ পানের সময় থেকেই শিশুর স্বাদের যাত্রা শুরু হয় মায়ের খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে। জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণেও সন্তান ও মায়ের স্বাদের পছন্দ মিলে যায়। একই সাথে মা রান্নার সময় পরিবারের প্রত্যেকের পছন্দ-অপছন্দের যে ব্যক্তিগত স্পর্শ ফুটিয়ে তোলেন, তা অন্য কারও রান্নায় পাওয়া অসম্ভব। রান্নার সময় নিজের ঘ্রাণেন্দ্রিয় অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার কারণে যেমন নিজের রান্না নিজের কাছে অতটা সুস্বাদু লাগে না, ঠিক তেমনি মায়ের রান্নায় মিশ্রিত ভালোবাসা ও যত্নের অনুভূতি খাবারকে করে তোলে পৃথিবীর সেরা।

( নেত্রকোণার আলো ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 www.netrakon-r-alo.com