শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
আর্ন্তজাতিক ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
উত্তর কোরিয়া যদি রাশিয়ার যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয়, তবে ইউক্রেনের জন্য মার্কিন অস্ত্র ব্যবহারে কোনো নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে না বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনা সদর দপ্তর পেন্টাগন।
সোমবার (২৮ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
আড়াই বছর ধরে চলমান ইউক্রেন যুদ্ধ রাশিয়া ও পশ্চিমাদের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সবচেয়ে বড় সংঘাতে রূপ নিয়েছে। রুশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ এখন সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী ইউক্রেন অঞ্চলে মোতায়েনের সম্ভাবনা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুদ্ধের পরিধি আরও বিস্তৃত হতে পারে, যদিও মধ্যপ্রাচ্যে গাজা ও লেবাননের সংঘাত নিয়েও নজর রয়েছে।
এদিকে রাশিয়া সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইউক্রেন যদি পশ্চিমা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার অভ্যন্তরে আঘাত হানে, তবে মস্কো সেটিকে বড় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধি হিসেবে দেখবে।
পেন্টাগন জানিয়েছে, পূর্ব রাশিয়ায় উত্তর কোরিয়ার প্রায় ১০ হাজার সেনা প্রশিক্ষণের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে, যদিও গত বুধবার এই সংখ্যা ৩ হাজার বলে জানানো হয়েছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন একে “খুব বিপজ্জনক” পরিস্থিতি বলে মন্তব্য করেছেন।
পেন্টাগনের মুখপাত্র সাবরিনা সিং জানিয়েছেন, এই সেনাদের একটি অংশ ইতোমধ্যেই ইউক্রেনের কাছাকাছি চলে এসেছে। তিনি আরও বলেন, ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ রয়েছে যে রাশিয়া এসব সেনাকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সহায়তা হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।
প্রথমে ক্রেমলিন উত্তর কোরিয়ার সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত খবরকে ‘ভুয়া’ বলেছিল। তবে, পরবর্তীতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন উত্তর কোরিয়ান সেনাদের রাশিয়ায় অবস্থান বিষয়ে সরাসরি অস্বীকার করেননি এবং বলেছেন, পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে অংশীদারিত্ব চুক্তির বাস্তবায়ন মস্কোর নিজস্ব ব্যাপার।