শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
দেশ পুনর্গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরে স্বৈরাচারী শাসনের কারণে ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এবং ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক বৃহস্পতিবার ৩১ অক্টোবর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করেন।
এ সময় অস্ট্রেলিয়ার মন্ত্রী জানান, তার সরকার ঢাকায় ভিসা কেন্দ্র পুনরায় চালু করতে এবং অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহী। ড. ইউনূস এ সফর এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে সমর্থন জানানোয় অস্ট্রেলিয়ার মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
বার্ক তার নির্বাচনী এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি বসবাসের কথা উল্লেখ করে বলেন, “বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার আন্দোলন এবং গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ের আনন্দ উদযাপনে প্রবাসীদের অংশগ্রহণ দেখে তিনি প্রভাবিত হয়েছেন।”
প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস বলেন, “চ্যালেঞ্জ অনেক বড়। মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করা কঠিন কাজ হলেও দেশের জনগণ ধৈর্যশীল। দেশের পুনর্গঠন আমাদের সকলের দায়িত্ব।”
আলোচনায় উঠে আসে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতার বীজ। অধ্যাপক ইউনূস সরকার গঠিত গুম তদন্ত কমিশনের কথা উল্লেখ করেন, যারা স্বৈরাচারী শাসনের সময়ের শত শত গুমের ঘটনা নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে।
ড. ইউনূস বার্ককে দেশের শহর ও গ্রামের দেয়ালে আঁকা গণঅভ্যুত্থানকালীন গ্রাফিতি ও ম্যুরালের সংকলন ‘আর্ট অফ ট্রায়াম্ফ’ বইটি উপহার দেন। অস্ট্রেলীয় মন্ত্রী উপহারটির প্রশংসা করে ঢাকার কিছু এলাকায় সেই শিল্পকর্মগুলি দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।