শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
নেত্রকোনার আলো ডটকম ডেস্ক:
২৫ নভেম্বর, সোমবার, ঢাকায় একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে যেখানে ‘গণঅভ্যুত্থান’ দাবি করে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষ রাজধানীতে আসার চেষ্টা করেছিলেন। শাহবাগ এবং টিএসসি এলাকায় এসব মানুষকে জড়ো করার উদ্দেশ্যে রাত থেকেই বাস, মাইক্রোবাস ও পিকআপে করে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছিল। তবে, শেষ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সেগুলোকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনাটি ছিল একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা, যেখানে অজ্ঞাত একটি চক্র দেশজুড়ে প্রলোভন দিয়ে সাধারণ মানুষকে ঢাকায় আসতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। তাদেরকে এক লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, তবে সেটা ছিল একটি প্রতারণা। অনেকেই জানাচ্ছেন যে, তারা সরল বিশ্বাসে এই প্রলোভনে পা দিয়ে ঢাকায় এসেছেন। এক নারী নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছেন এবং জানাচ্ছেন যে, তাকে এক লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তবে তিনি নিশ্চিত না যে তাকে টাকা দেওয়ার কথা কে বলেছিল।
এছাড়া, টোকেনের মাধ্যমে যা তথ্য পাওয়া গেছে, সেখানে একটি সংগঠনের নাম দেওয়া হয়েছিল – ‘অহিংস গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশ’। কিন্তু যখন তার আহ্বায়ক আ.ব.ম. মোস্তাফা আমীনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়, তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। একইভাবে, আরেকটি সংগঠনের সদস্যদের ফোনও বন্ধ ছিল এবং ঠিকানা ভুল ছিল।
এ ব্যাপারে পুলিশ জানিয়েছে, এটি একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা ছিল, যেখানে ঢাকার শাহবাগ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দখল ও অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল একটি আন্দোলন তৈরি করা, যাতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ঘেরাওয়ের চেষ্টা করা হয়। পুলিশ ইতিমধ্যে এই প্রতারণা চক্রের বেশ কয়েকজন সদস্যকে আটক করেছে এবং এর নেপথ্যে থাকা মূল চক্রের সদস্যদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
এছাড়া, জানা গেছে যে এই চক্রটি বিভিন্ন জায়গায় মানুষ জড়ো করার জন্য প্রলোভন দেখিয়ে তাদের সংগ্রহ করে এবং তাদেরকে ঢাকায় নিয়ে আসে, কিন্তু সেগুলো ছিল মূলত একটি মিথ্যা আন্দোলন তৈরি করার প্রয়াস।