শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ ইউক্রেন যুদ্ধে “যেকোনো উপায়” ব্যবহার করতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, রাশিয়া তার কৌশলগত পরাজয় ঠেকাতে প্রয়োজন হলে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ যেকোনো আধুনিক অস্ত্র প্রয়োগ করতে পারে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।
রাশিয়া এর আগেও ইউক্রেনে কিনঝাল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছিল, যা প্রতিহত করা প্রায় অসম্ভব বলে দাবি করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পুতিন বলেছেন, প্রয়োজনে যুদ্ধক্ষেত্রে এই প্রযুক্তির আরও বিস্তৃত ব্যবহার করা হতে পারে।
ল্যাভরভ বলেন, “পশ্চিমা দেশগুলোকে বুঝতে হবে যে রাশিয়া তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।” যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র দেশগুলো কিয়েভ সরকারকে দূরপাল্লার অস্ত্র সরবরাহ করছে, যা রাশিয়ার জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ল্যাভরভ বলেন, রাশিয়া এই যুদ্ধ শুরু করেনি; বরং পশ্চিমা দেশগুলোর ন্যাটো সম্প্রসারণের নীতি এবং ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনার অস্বীকৃতিই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, ২০২২ সালে ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা ছিল, যা কিয়েভ নাকচ করেছে।
ল্যাভরভ বলেন, “আমরা পূর্ব ইউক্রেনের রুশভাষী জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ইউক্রেনীয় নেতৃত্বের ‘নাৎসীকরণ’ রোধ করতে লড়াই করছি।”
রাশিয়ার এমন মনোভাব পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে। ন্যাটো এবং ইউক্রেনের জন্য এটি উদ্বেগের বিষয়, কারণ রাশিয়ার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি এবং এর প্রয়োগ প্রতিহত করা বর্তমান সামরিক প্রযুক্তির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।