শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তারা। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর রাওয়া ক্লাবের সামনে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আয়োজিত এক সমাবেশে এই ঘোষণা দেন তারা।
সমাবেশে সাবেক সেনা কর্মকর্তারা ভারতীয় আগ্রাসন এবং অপপ্রচারের তীব্র সমালোচনা করেন। তারা বলেন, “৫ আগস্টের পর থেকে ভারতের গণমাধ্যম ও কিছু রাজনীতিক একের পর এক আগ্রাসী আচরণ করছে। আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা ও পতাকার অবমাননায় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে।”
বক্তারা আরও বলেন, “ভারতের ইদানীংকার কর্মকাণ্ড আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে। বাংলাদেশ আর কোনও নতজানু পররাষ্ট্রনীতি মেনে নেবে না। সব শ্রেণির মানুষকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে থেকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
তারা ভারতের মিডিয়ায় বাংলাদেশ বিরোধী অপপ্রচার বন্ধ করার আহ্বান জানান এবং সরকারের প্রতি দাবি জানান যে, “ভারতের সঙ্গে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি নয়, সম্পর্ক হতে হবে ন্যায্যতা ও সমতার ভিত্তিতে। বিগত সরকারের সময় ভারতের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো প্রকাশ করতে হবে।”
সমাবেশ শেষে সাবেক সেনা কর্মকর্তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি রাওয়া ক্লাব থেকে শুরু হয়ে জাহাঙ্গীর গেট হয়ে বিমানবাহিনীর তথ্য কেন্দ্র প্রদক্ষিণ করে আবার রাওয়া ক্লাবে শেষ হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আহসান উল্লাহ বলেন, “এ দেশ অসম্প্রদায়িক। কোনও ষড়যন্ত্র আমরা মেনে নেব না। নতজানু পররাষ্ট্রনীতি নয়, আমাদের পররাষ্ট্রনীতি হবে সমতার ভিত্তিতে।”
লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মানেশ দেওয়ান বলেন, “আমরা অতীতে দেশের জন্য রাজপথে থেকেছি। যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের প্রয়োজনে আবারও রাজপথে থাকতে প্রস্তুত আছি।”
সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’সহ বিভিন্ন স্লোগানে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ জানান।