শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনলাইনে চলছে মাদক ব্যবসা, অর্থ পাচার রুখতে আসছে কঠোর ও আধুনিক আইন চীনা ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম, জেনে নিন আজকের রেট! ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা! ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেইমারের প্রত্যাবর্তন ও ভিনিসিয়ুসের রেকর্ডে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ব্রাজিল ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু নেইমারের প্রত্যাবর্তনে ব্রাজিলে স্বস্তি, সামনে ঐতিহাসিক রেকর্ড ১৬ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা
বিচারিক কার্যক্রম সহজ করতে প্রযুক্তি ও সংস্কারের উদ্যোগ: প্রধান বিচারপতি

বিচারিক কার্যক্রম সহজ করতে প্রযুক্তি ও সংস্কারের উদ্যোগ: প্রধান বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবদেক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেছেন। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত “বিচারিক স্বাধীনতা ও দক্ষতা” শীর্ষক এক কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ বিষয়গুলো আলোচনা করেন।
প্রধান বিচারপতি বলেন, “প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং পদ্ধতিগত সংস্কারের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ডিজিটালাইজেশন বিলাসিতা নয়, বরং এটি এখন প্রয়োজনীয়তা। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা বিলম্ব কমানো, স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং সেবা সহজ করার জন্য কাজ করছি।”
তিনি জানান, একটি হেল্পলাইন চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা নাগরিকদের দ্রুত ও স্বচ্ছ আইনি তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে।
প্রধান বিচারপতি একটি ব্যক্তিগত ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, “একজন বিচারপ্রার্থী বিলম্বিত বিচার নিয়ে তার দুর্দশার কথা জানান। এতে আমি উপলব্ধি করি যে, বিচারিক বিলম্ব হ্রাস করা শুধু প্রশাসনিক কাজ নয়, বরং এটি একটি নৈতিক বাধ্যবাধকতা।”
প্রধান বিচারপতি বিচারকদের সঙ্গে এক বৈঠকে বিচার বিভাগের সংস্কারের জন্য একটি রোডম্যাপ উন্মোচন করেছেন। তিনি বলেন, “আমি একটি পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এটি বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”
তিনি আরও জানান, সুপ্রিম কোর্টে বিচারকদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও যোগ্যতা নিশ্চিত করতে একটি বিচার বিভাগীয় নিয়োগ কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
কেস ব্যাকলগ এবং পদ্ধতিগত অদক্ষতা মোকাবিলায় একটি বহুমুখী পদ্ধতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “কেস ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতিকে আরও কার্যকর করতে এবং আদালতের কার্যক্রমকে সহজ করতে কাজ চলছে।”
ইউএনডিপির ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ইউএনডিপি সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং নীতি প্রণয়নে সহায়তা করছে। তাদের সহযোগিতা আমাদের বিচার ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে সহায়তা করছে।”
তিনি বলেন, “ন্যায়বিচার একটি ক্ষণস্থায়ী প্রচেষ্টা নয়। এটি একটি আজীবন প্রতিশ্রুতি, যা আমাদের বিচার বিভাগের ভিত্তি তৈরি করে।”
প্রধান বিচারপতির বক্তব্যে একটি শক্তিশালী, আধুনিক ও ন্যায়সঙ্গত বিচারিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রতি তার অঙ্গীকার স্পষ্ট হয়েছে। প্রযুক্তি, স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক সংস্কারের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার এ উদ্যোগকে অনেকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

( নেত্রকোণার আলো ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 www.netrakon-r-alo.com