শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
আর্ন্তজাতিক ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
হামাসের হাতে আটক অবস্থায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত শিরি বিবাসের মৃতদেহ নিয়ে সৃষ্ট সংকট কেটেছে। যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে জিম্মির মরদেহ ফেরত দিলে তেল আবিব জানায়, এটা শিরির মৃতদেহ নয়। তারা যুদ্ধবিরতি ভেঙে হামলার হুঁশিয়ারি দেয়।
হামাস জানায়, বিমান হামলার কারণে নিহত শিরিকে শনাক্ত করতে তারা সমস্যায় পড়ে। এ অবস্থায় শুক্রবার রাতে পাঠানো হয় আরেকটি দেহাবশেষ। সেটি যে শিরিরই, তা নিশ্চিত করেছে ইসরায়েল। এতে নতুন করে যুদ্ধ শুরুর শঙ্কা আপাতত কাটল।
গতকাল শনিবার আরও ছয় জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইসরায়েল তাদের কারাগারে থাকা ৬২০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেয়। আলজাজিরা জানায়, আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হয়। একটি ছবিতে দেখা যায়, মুক্ত এক ইসরায়েলি জিম্মি মঞ্চে হামাসের এক সদস্যের কপালে ‘কৃতজ্ঞতা’য় চুমু খাচ্ছেন। ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। জিম্মিদের হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায়। আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রেড ক্রসের কাছে তাদের হস্তান্তর করে হামাস।
এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী দুই ফিলিস্তিনি শিশুকে গুলি করে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বার্তা সংস্থা ওয়াফা। নিহতদের মধ্যে আয়মান নাসের আল হায়মুনির বয়স ১২ বছর। সে হেবরনের বাসিন্দা। অপরজন রিমাস আল আমুরির বয়স ১৩, তার বাড়ি জেনিনে।
হেবরনের দক্ষিণে আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় ইসরায়েলি বাহিনী আল-হায়মুনিকে পেটে গুলি করে হত্যা করে। জেনিনে আমুরিকে লক্ষ্য করে পাঁচটি গুলি চালায় ইসরায়েলি সেনারা। গুলিগুলো তার পিঠে লাগে।