সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
ঢাকার পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটির চার্জশিট জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপপরিদর্শক মো. ওহিদুজ্জামান। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়।
চার্জশিটে প্রধান আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া নৃশংস এই অপরাধে সহযোগিতা করার অভিযোগে সোহেলের দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের নামও চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ মে সকালে প্রতিবেশী দম্পতি কর্মস্থলে চলে যাওয়ার পর ফ্ল্যাটে একা পেয়ে শিশু রামিসাকে নিজের ঘরে ডেকে নেয় অটোরিকশা মেকানিক সোহেল রানা। সেখানে বাথরুমে তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে রামিসার মাথা কেটে শরীর থেকে আলাদা করা হয় এবং দুই হাত আংশিক বিচ্ছিন্ন করে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়।
রামিসাকে খুঁজে না পেয়ে তার মা ওই বাসার সামনে শিশুর জুতা দেখে চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা জড়ো হয়ে দরজা ভাঙার চেষ্টা করেন। এ সময় স্বপ্না আক্তার বাইরে থেকে দরজা ভাঙার শব্দ শুনে ভেতর থেকে ছিটকিনি আটকে দেন এবং সোহেলকে পালাতে সাহায্য করেন। পরে এলাকাবাসী ঘরে ঢুকে রামিসার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে।