সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
ঢাকা: পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত গরু এলেও এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি বেচাকেনা। হাটগুলোতে পশুর সরবরাহ প্রচুর থাকলেও ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। ক্রেতাদের অভিযোগ—ব্যাপারীরা অতিরিক্ত দাম হাঁকাচ্ছেন। অন্যদিকে, বিক্রেতারা আশা করছেন ঈদের আর মাত্র দু-একদিন বাকি থাকায় দ্রুতই বাজার জমে উঠবে।
হাটে বরাবরের মতো এবারও ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে ৪ থেকে ৬ মণ মাংস পাওয়া যায়, এমন গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাজার ঘুরে জানা গেছে, মাঝারি আকারের এসব গরুর ক্ষেত্রে মাংসের দাম গড়ে প্রতি মণ ৩৫ হাজার টাকা হিসাব করা হচ্ছে। ৩ মণ মাংসের একটি গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে ১ লাখ ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং ৪ মণের গরুর দাম উঠছে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
রাজধানীর গাবতলী হাটে আসা ঢাকার বাসিন্দা তাহমিদ ইরতিজা জানান, বাজেট অনুযায়ী গরু খুঁজলেও ব্যাপারীরা দাম অনেক বেশি চাচ্ছেন। তাই দরদাম করেও সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি গরু কিনতে পারেননি। তবে আশা করছেন পরের দিন কিনতে পারবেন।
মানিকগঞ্জ থেকে গাবতলী হাটে আসা এক বিক্রেতা জানান, ধানের কুঁড়া, খেসারি, ভুট্টা ও ভুসি খাইয়ে সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে গরুগুলো মোটাতাজা করা হয়েছে। তবে হাটে এখনো ক্রেতা কম।
বর্তমানে গাবতলী, পোস্তগোলা, শাজাহানপুর, ধোলাইখাল, কমলাপুর ও মাতুয়াইলসহ রাজধানীর বিভিন্ন হাটে প্রতিদিনই নতুন নতুন পশু আসছে। ঢাকা শহরে কোরবানি দেওয়ার আগে পশু রাখার জায়গা সংকটের কারণে সাধারণত ঈদের আগের দু-তিন দিন কেনাবেচা সবচেয়ে বেশি হয়। তাই আগামী দু-একদিনের মধ্যে হাটগুলো পুরোপুরি জমে উঠবে বলে আশা করছেন খামারি ও ব্যাপারীরা।