মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
আর মাত্র একদিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। এই আনন্দঘন মুহূর্তটি প্রিয়জনদের সাথে কাটাতে গাজীপুরসহ রাজধানী ছাড়ছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। গাজীপুরের প্রায় ৯০ শতাংশ তৈরি পোশাক কারখানা ছুটি হওয়ায় দুপুরের পর থেকেই ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে নেমেছে লাখো শ্রমজীবী মানুষের ঢল।
হঠাৎ করে বিপুল সংখ্যক যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়ায় মহাসড়কের টঙ্গী, বোর্ড বাজার, ভোগড়া বাইপাস, চান্দনা চৌরাস্তা এবং ঢাকা-টাঙ্গাইলের চন্দ্রা অংশে তীব্র যানজট ও ধীরগতির সৃষ্টি হয়েছে। চালকেরা জানান, স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি গাড়ি চলায় মহাসড়ক প্রায় স্থবির। এর ওপর বেলা ১১টার দিকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টিতে নারী, শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠ যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।
যাত্রীদের অভিযোগ, এই সুযোগে পরিবহনগুলো দ্বিগুণ-তিনগুণ পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। বাড়তি ভাড়ার হাত থেকে বাঁচতে এবং সময়মতো বাড়ি পৌঁছাতে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক বা পিকআপ ভ্যানে চড়ে রওনা হচ্ছেন।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল-২ এর পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন জানান, এবার গাজীপুর থেকে প্রায় ২০ লাখের বেশি শ্রমজীবী মানুষ ঢাকা ছাড়ছেন। তবে ৯৯.৫% কারখানায় বেতন-বোনাস পরিশোধ হওয়ায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার আশরাফুল ইসলাম জানান, মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং যাত্রীদের ট্রাকে চড়তে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। এদিকে দুপুরে ভোগড়া বাইপাস এলাকার জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি পরিদর্শন করে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার জানান, তাৎক্ষণিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন করা হয়েছে।