বুধবার, ২৪ Jun ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
১৬ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা রেকর্ড বল দখল করেও জয়বঞ্চিত ইংল্যান্ড, ঘানার ঐতিহাসিক ড্র বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, ৪৪টি জলকপাট খুলে সতর্কবার্তা জারি মেসি-রোনালদোর প্রতি ভক্তদের অন্ধ ভালোবাসা: যা বলছে মনোবিজ্ঞান হাতীবান্ধায় মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু, বাবা গুরুতর আহত শুভ জন্মদিন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি বিশ্বজুড়ে ভক্তদের উন্মাদনা! ৯৮০ দিন পর ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সিতে ফিরছেন নেইমার জামায়াত সমর্থিত ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু স্কটল্যান্ড এর বিপক্ষে খেলবেন কি নেইমার?
বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই তিস্তার পানি, আবারো প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই তিস্তার পানি, আবারো প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

নিজস্ব প্রতিবেদক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে ফের বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। পানি ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়ে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। হঠাৎ তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হাতিবান্ধার গড্ডিমারী, আদিমতমারী উপজেলার গোবরধন, গরীবুল্লাহ পাড়াসহ নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে তিস্তা পারের বাসিন্দারা। এছাড়া নদীর চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের অন্তত ১০ হাজার হেক্টর আমনের ক্ষেত তলিয়ে গেছে।

শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১০ মিটার। যা বিপদসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলার সদর উপজেলার হরিণচওড়ার বাসিন্দা মশিয়ার রহমান জানান, গতকাল শুক্রবার তিস্তার পানি বেশ কম ছিলো। হঠাৎ রাত থেকে পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। পানি আরও বাড়লে বাড়িঘরের প্রবেশ করবে। একই এলাকার কৃষক সাইফুল হুদা জানান, গত চারদিনের বৃষ্টির জন্য মানুষ প্রয়োজন ব্যতীত ঘর ছাড়েনি। গবাদি পশুর খাবার সংগ্রহ করতেও বেগ পেতে হয়েছে। এর মধ্যে চরের জমিতে চাষ করা ধান আর মিষ্টি কুমড়া তলিয়ে গেছে। জেলার কালীগঞ্জে ভোটমারী শৈলমারী চরাঞ্চলের বাসিন্দা রিফাত হোপন জানান, প্রচুর বৃষ্টির কারণে কৃষকের ধান তলিয়ে গেছে। পানি স্থায়ী হলে উৎপাদনে প্রভাব পড়বে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর লালমনিরহাটের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা শাহ আলম বলেন, অসময়ে টানা বৃষ্টির কারণে আমনের ক্ষতি হয়। বেশকিছু নিম্নাঞ্চল ও চরের ধান তলিয়ে গেছে। এটি স্থায়ী হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কৃষক। তবে কি পরিমাণ ধান তলিয়ে গেছে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না এখনই।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার রায় বলেন, টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। চরাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বৃষ্টিপাত কমে গেলে নদীর পানি কমে যাবে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে এ কর্মকর্তা জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টিপাতের শঙ্কা কমে এসেছে। নদীর পানি কমে গেলে ভাঙন দেখা দিতে পারে। ভাঙন শুরু হলে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধে কাজ করা হবে।

 

( নেত্রকোণার আলো ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 www.netrakon-r-alo.com