শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
কুমিল্লার কিশোরী জান্নাতুন তাজমীন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে কক্সবাজার গিয়ে এক পরিচিত তরুণের সঙ্গে দেখা করে ফেরেন তাজমীন, যদিও পরিবারকে তিনি জানিয়েছিলেন বান্ধবীর বাসায় থাকার কথা। কক্সবাজার থেকে ফিরে কুমিল্লা শহরে যাওয়ার পথেই সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়ার নৃশংসতার শিকার হয় এই কিশোরী। পুলিশ জানিয়েছে, নির্জন স্থানে নিয়ে তাজমীনকে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন চালক সুমন। বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) সকালে লালমাই উপজেলার একটি ধানখেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত সুমন মিয়া ইতিমধ্যে আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তাজমীনের চলাফেরা নিয়ে আগে থেকেই উদ্বিগ্ন ছিলেন তাঁর মা কেয়া খাতুন। কোনো অঘটনের আশঙ্কায় গত ছয় মাস মেয়েকে স্কুলে পাঠানো বন্ধ রেখেছিলেন তিনি। তাজমীন কক্সবাজার থেকে বুধবার গভীর রাতে পদুয়ারবাজারে নামার পর রেইসকোর্সের বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে সুমনের অটোরিকশায় উঠেছিল। ঘটনায় এখন পর্যন্ত তাজমীনের কক্সবাজারের পরিচিত তরুণ রাজু চৌধুরী বা অন্য কারও সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলেনি। তবে পুলিশ তাজমীনের মোবাইল গেমের প্রতি আসক্তি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যোগাযোগ এবং ভ্রমণের পুরো ঘটনাপ্রবাহ গভীরতার সঙ্গে খতিয়ে দেখছে।