রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে নেত্রকোণায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নেত্রকোণা পৌর শাখার আয়োজনে শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় জেলা জামায়াত কার্যালয়ে এ সভা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো. মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া। সভাপতিত্ব করেন পৌর জামায়াতের আমির মো. রফিকুল ইসলাম। সভা পরিচালনা করেন পৌর সেক্রেটারি মো. নজরুল ইসলাম।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছ, জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা মাহবুবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মো. দেলোয়ার হোসেন সাইফুল, জেলা মিডিয়া ও মানবসম্পদ বিভাগের সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম, জেলা শ্রমিক বিভাগের সভাপতি মাওলানা মো. কামাল উদ্দিন, এবং পৌর জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. আবুল হোসেন তালুকদার।
প্রধান অতিথির বক্তব্য মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “স্বাধীনতার মাত্র দুই দিন আগে দেশের মেধাবী মানুষদের হত্যা করা একটি পরিকল্পিত মেধাশূন্য করার অপচেষ্টা। জহির রায়হানের গুম ও হত্যাকাণ্ড এর স্পষ্ট উদাহরণ। এখন সময় এসেছে কথিত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির মুখোশ উন্মোচন করার।”
তিনি আরও বলেন, “৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু করে ২৪ জুলাই পর্যন্ত গণহত্যা একই ষড়যন্ত্রের অংশ। এ দেশে আর কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেয়া হবে না। যারা ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন করতে চাইবে, তাদের রুখে দিতে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে ইনশাআল্লাহ।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছ বলেন, “১৬ ডিসেম্বর ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের দিন। এর আগে তারা সারা দেশে কোনঠাসা হয়ে পড়ে। ১৪ ডিসেম্বরের শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড কারা ঘটিয়েছে, তা জাতির সামনে উন্মোচিত হওয়া জরুরি।”
তিনি আরও বলেন, “প্রতিবেশী দেশ আমাদের সঙ্গে সুলভ আচরণ করবে, এটাই প্রত্যাশা। কিন্তু তাদের কর্মকাণ্ড সবসময় আমাদের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। বাংলাদেশ এখন ঐক্যবদ্ধ, এবং ছাত্র আন্দোলনের কোনো দাবিকে ব্যর্থ হতে দেয়া হবে না।”
অনুষ্ঠানের শেষে বক্তারা ৭১ সাল থেকে ২৪ জুলাই বিপ্লবের সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।