বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
ইরানের বিরুদ্ধে চালানো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে অন্তত ৪২টি মার্কিন সামরিক বিমান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিস (সিআরএস)-এর এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই অভিযানের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র রূপ নিয়েছে।
বুধবার ভারতীয় সংবাদসংস্থা ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ সিআরএসের এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। তবে গোপনীয় তথ্য, চলমান সামরিক কার্যক্রম এবং ঘটনার দায় নির্ধারণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের এই সংখ্যা আরও পরিবর্তিত হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিআরএসের হিসাব অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত বা হারানো সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে:
৪টি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান
১টি এফ-৩৫এ লাইটনিং-২ ফাইটার জেট
১টি এ-১০ থান্ডারবোল্ট-২ আক্রমণ বিমান
২৪টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ও ১টি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোন
৭টি কেসি-১৩৫ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানসহ বেশ কিছু বিশেষ নজরদারি বিমান ও হেলিকপ্টার।
এদিকে গত ১২ মে এক শুনানিতে পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত কম্পট্রোলার জুলস ডব্লিউ হার্স্ট-৩ জানান, ইরানে এই সামরিক অভিযানের কারণে মার্কিন ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলারে। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক সরঞ্জাম মেরামত ও প্রতিস্থাপনের কারণেই মূলত এই ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পুনর্গঠন ও হারানো বিমান প্রতিস্থাপনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় আরও আকাশচুম্বী হতে পারে।