শুক্রবার, ০৩ Jul ২০২৬, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
চলতি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, তখন ফুটবলপ্রেমীদের মনে ভর করেছে এক পরম একাকীত্ব ও আবেগ। কারণ, বর্তমান প্রজন্মের বেশ কয়েকজন কিংবদন্তি ফুটবলারের জন্য এটিই হতে যাচ্ছে শেষ বিশ্বকাপ। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে দাঁড়িয়ে শেষবারের মতো বিশ্বমঞ্চ কাঁপানো এমন ১০ মহাতারকাকে নিয়ে আমাদের এই বিশেষ আয়োজন:
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা): ৩৯ বছর বয়সী মেসি খেলছেন নিজের ৬ষ্ঠ বিশ্বকাপ। বিশ্বমঞ্চে রেকর্ড ১৯ গোল ও ৮ অ্যাসিস্টের মালিক এই জাদুকরের জন্য এটাই শেষ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল): আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতার একমাত্র অপূর্ণতা বিশ্বকাপ ট্রফি। ৪১ বছর বয়সে এসে এটিই তাঁর শেষ সুযোগ।
লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া): ৪০ বছর বয়সেও মাঝমাঠের তরুণ সেনাপতি। ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়াকে রূপকথা উপহার দেওয়া এই তারকার এটাই শেষ আসর।
নেইমার (ব্রাজিল): সেলেসাওদের সেক্সা (৬ষ্ঠ শিরোপা) স্বপ্নের মূল কাণ্ডারি। ১৪ ম্যাচে ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করা এই ফরোয়ার্ডের এটাই হয়তো শেষ সুযোগ।
ম্যানুয়েল নয়ার (জার্মানি): আধুনিক ফুটবলের ‘সুইপার-কিপার’ খ্যাত ২০১৪-এর বিশ্বজয়ীর এটি ৫ম ও শেষ বিশ্বকাপ।
কেভিন ডি ব্রুইন (বেলজিয়াম): বেলজিয়ামের ‘সোনালি প্রজন্মের’ মূল চালিকাশক্তি এই মিডফিল্ডারের বয়স ও ফর্মের বিচারে এটাই শেষ বিশ্বকাপ।
ভার্জিল ফন ডাইক (নেদারল্যান্ডস): ৩৪ বছর বয়সী ডাচ রক্ষণভাগের এই অতন্দ্র প্রহরীকে আগামী বিশ্বকাপে দেখার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
মোহাম্মদ সালাহ (মিশর): মিশরীয় ফুটবলের এই রাজপুত্রের জন্যও বিশ্বমঞ্চে নিজের নাম আরেকবার উঁচিয়ে ধরার শেষ সুযোগ এটি।
সন হিউং-মিন (দক্ষিণ কোরিয়া): এশিয়ান ফুটবলের অন্যতম সেরা এই আইকন নিজের ৪টি বিশ্বকাপ দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন।
সাদিও মানে (সেনেগাল): আফ্রিকান ফুটবলে সেনেগালকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া ৩৪ বছর বয়সী মানের শেষ বিশ্বকাপ এটিই।
নতুন নায়কের উত্থানের পাশাপাশি এই বিশ্বকাপ বিদায় জানাচ্ছে এক সোনালি প্রজন্মকে। মেসি, রোনালদো, মদ্রিচ কিংবা নেইমারদের পায়ের জাদু আর হয়তো কখনোই দেখা যাবে না বিশ্বকাপের সবুজ গালিচায়। তাই প্রতিটি ম্যাচই এখন ফুটবলপ্রেমীদের জন্য একেকটি সোনালি স্মৃতির ডায়েরি।