শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন

রংপুরের ৪ খুনের তদন্ত নিয়ে নতুন কমিশনারের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য

রংপুরের ৪ খুনের তদন্ত নিয়ে নতুন কমিশনারের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য

নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে নগরীর মাছুয়াপাড়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) নতুন কমিশনার মাহবুবুর রশীদ।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “মামলাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ। তদন্তের স্বার্থে যেকোনো প্রশ্নের পেশাদারিত্বের সঙ্গে জবাব খোঁজা হচ্ছে। সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে দ্রুত আদালতে নির্ভুল চার্জশিট দাখিল করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

ছাদ ধুয়ে আলামত নষ্টের অভিযোগ প্রসঙ্গে কমিশনার জানান, সিআইডি ও পুলিশ অপরাধস্থল (ক্রাইমসিন) থেকে প্রয়োজনীয় সব আলামত যথাযথভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করেছে। তদন্তে প্রযুক্তিগত ও গোয়েন্দা সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি মাদক নির্মূলে পুলিশ কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়ার কথা উল্লেখ করে জানান, এক সপ্তাহের মধ্যেই দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে স্বজনদের তথ্যের ভিত্তিতে মাছুয়াপাড়ার বাসা থেকে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছেলে আয়ুস চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় পরদিন সকালে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামের দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নিহত গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তীর করা মামলাটির তদন্তভার বর্তমানে কোতোয়ালি থানা থেকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) স্থানান্তর করা হয়েছে। ডিবির ওসি জিনাত আলী মামলাটির নতুন তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন।

( নেত্রকোণার আলো ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 www.netrakon-r-alo.com