শুক্রবার, ১২ Jun ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে বড় ধরনের সমন্বিত ও প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর আব্বাস বিমানবন্দর এবং আইআরজিসির উপকূলীয় স্থাপনায় মার্কিন বিমান হামলার জবাবে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে এই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স ও নৌবাহিনী কুয়েতের আলী আল-সালেম ও আহমদ আল-জাবের বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এতে অন্তত ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পৃথক অভিযানে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর সদর দফতর ‘ফিফথ ফ্লিট’-এ দূরনিয়ন্ত্রিত ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। এতে মার্কিন বাহিনীর অত্যাধুনিক প্যাট্রিয়ট বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রাডার ও যোগাযোগ অ্যান্টেনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে ওয়াশিংটনে এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানি কর্মকর্তাদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে ইরানে মার্কিন বোমাবর্ষণ শিগগিরই বন্ধ করা হবে এবং তেহরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা তাকে ফোন করে হামলা থামাতে অনুরোধ করেছেন। তবে আইআরজিসি ট্রাম্পের এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ‘কাপুরুষের মতো পালানোর অজুহাত’ বলে নাকচ করে দিয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ড বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনো তেল ট্যাঙ্কার বা বাণিজ্যিক জাহাজ এই প্রণালিতে প্রবেশ করলে সেটিকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।