রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
দেশের দরিদ্র, অতিদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনতে ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ জারি করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রায় ২ কোটি নারী পরিবারপ্রধানকে সরাসরি জিটুপি (G2P) পদ্ধতিতে মাসিক নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’—এই দর্শনে প্রতিটি পরিবারকে ‘ওয়ান-আইডি’ভিত্তিক একক ডিজিটাল পরিচিতির আওতায় আনা হচ্ছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, নগদ সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি ‘নেগেটিভ লিস্ট’ নির্ধারণ করা হয়েছে। নিচের যেকোনো একটি শর্তের আওতায় পড়লে সংশ্লিষ্ট পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবে:
সরকারি চাকরি ও পেনশন: মনোনীত নারীপ্রধান সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হলে অথবা নিয়মিত পেনশনভোগী হলে (প্রতিবন্ধী সন্তানের বিশেষ পেনশন ব্যতীত)।
বিনিয়োগ ও সঞ্চয়: পরিবারের কোনো সদস্যের নামে ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র, ফিক্সড ডিপোজিট বা আর্থিক বিনিয়োগ থাকলে।
যানবাহন মালিকানা: পরিবারের কারও নামে বিআরটিএ নিবন্ধিত তিন বা চার চাকার মোটরযান (কার, জিপ, পিকআপ, মাইক্রোবাস, সিএনজি ইত্যাদি) থাকলে।
ব্যবসা ও আয়কর: পরিবারের কোনো সদস্যের বড় বাণিজ্যিক ব্যবসা থাকলে কিংবা নিয়মিত করদাতা হলে।
জমি ও সম্পত্তি: বসতভিটাসহ আবাদি জমির পরিমাণ ০.৫০ একর বা তার বেশি হলে, কিংবা ৫ লাখ টাকার বেশি মূল্যের বাণিজ্যিক/অকৃষি সম্পত্তি থাকলে।
পিএমটি স্কোর: নির্ধারিত পিএমটি (Proxy Means Test) স্কোরের ঊর্ধ্বসীমা অতিক্রম করলে।
একাধিক সরকারি সুবিধা নয়:
মনোনীত নারীপ্রধান একই সঙ্গে অন্য কোনো সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা (যেমন: টিসিবির ফ্যামিলি কার্ড, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, ভিডব্লিউবি, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা বা প্রতিবন্ধী ভাতা) গ্রহণ করতে পারবেন না। তবে নারীপ্রধান ব্যতীত পরিবারের অন্য সদস্যরা নিয়ম মেনে অন্যান্য সরকারি ভাতা বা সুবিধা নিতে পারবেন।