রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
নেপালের মধ্যাঞ্চলে ফের তাণ্ডব চালিয়েছে আকস্মিক বন্যা। দেশটির সবচেয়ে বড় ও দীর্ঘ উৎসব ‘দশাইন’-এর প্রথম দিনের প্রস্তুতির মধ্যেই এই দুর্যোগ আঘাত হানে। বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গোরখা জেলা। হঠাৎ নেমে আসা পানির ঢলে ঘরবাড়ি ও সেতু ভেসে গিয়ে অন্তত পাঁচজন নিখোঁজ হয়েছেন। এ ঘটনায় ২০৪টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সাড়ে ৬ শরের বেশি মানুষ দুর্যোগের মুখে পড়েছেন। বার্তা সংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উপদ্রুত এলাকা থেকে ৯ জন বিদেশি নাগরিকসহ অন্তত ৯৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে ৭০০ জনের বেশি নিরাপত্তাকর্মী উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। নেপাল সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নিখোঁজদের খোঁজে ও আকাশপথে পর্যবেক্ষণের জন্য ৪টি হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, উজানে ভূমিধসের কারণে ‘বুড়ি গণ্ডকী’ নদী বা এর কোনো উপনদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে আটকে গিয়ে প্রাকৃতিক বাঁধ তৈরি হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ভেঙে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে। এ ছাড়া হিমবাহ ধসে কাদামাটির স্রোত নেমে আসার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মাত্র দুই মাস আগে তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন এই বিপর্যয় নেপালের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।