সোমবার, ১৩ Jul ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা কম না হলেও শীতের তীব্রতা বাড়ছে। বিকেল থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশার সঙ্গে মৃদু বাতাস বইছে। গত তিনদিন সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও কুয়াশায় ঢাকা ছিল পুরো এলাকা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা আরও বাড়ছে।
আজ মঙ্গলবার সারাদিন সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল চারদিক। রাতে বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝড়েছে। রাস্তাঘাটে লোকজনের চলাচল কমে গেছে। তবে শীত উপেক্ষা করে শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষের কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চলেছে।
কুয়াশার কারণে দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহনগুলো চলাচল করতে দেখা গেছে। সাধারণ খেটে খাওয়া তৃণমূল ও দরিদ্র মানুষ শীতের দুর্ভোগে পড়েছে। গরম কাপড়ের অভাবে তাদের এই দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। চা শ্রমিক, পাথর শ্রমিক, দিনমজুর, ছিন্নমূলসহ জেলার প্রায় লাখো শ্রমিক সকাল থেকে জীবিকার তাগিদে কাজে বের হয়েছে।
এদিকে, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলার শীতার্ত দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ শুরু হয়েছে। পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী শীতবস্ত্র বিতরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্রনাথ রায় জানান, আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ১৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ ভাগ।
তিনি জানান, আকাশে মেঘ থাকার এবং কুয়াশার কারণে সূর্যের তাপ ভূপৃষ্ঠে পৌঁছাতে না পারায় শীতে তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে।