সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে অন্তত ১৩২ জন নিহত এবং ৪৮০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দেশের ভূতাত্ত্বিক পরিষেবা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে চোকো প্রদেশের ১০৩ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানা এই শক্তিশালী ভূমিকম্পটি সমগ্র পশ্চিম কলম্বিয়াজুড়ে তীব্রভাবে অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল চোকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমার গ্রামের কাছে। তবে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও সেখানে অলৌকিকভাবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলের পেরেইরা শহর। বিবিসির যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা গেছে, শহরের প্রধান চত্বর ‘প্লাজা বলিভার’-এ ভবন ধসে পড়ে চারদিকে ধ্বংসাবশেষ ও ধুলো ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া ভ্যালে দেল কাউকা অঞ্চলসহ আশেপাশের এলাকাগুলোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভূমিকম্প পরবর্তী দাঙ্গা ও লুটপাট রোধে কালি, আরমানিয়া এবং মানিজালেস শহরে সান্ধ্য আইন (কারফিউ) জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পশ্চিম কলম্বিয়ার সর্ববৃহৎ শহর কালিতে অতিরিক্ত এক হাজারেরও বেশি পুলিশ ও সামরিক সদস্য মোতায়েন করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলা।