শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন

দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ ও জটিল রোগের ঝুঁকি কমাতে পাতে রাখবেন যেসব খাবার

দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ ও জটিল রোগের ঝুঁকি কমাতে পাতে রাখবেন যেসব খাবার

নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:

শরীরে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ (ইনফ্ল্যামেশন) হৃদরোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, ডিমেনশিয়া ও ক্যানসারের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, নির্দিষ্ট কোনো একক খাবার নয়, বরং সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমেই এই দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

গবেষণায় দেখা গেছে, ভূমধ্যসাগরীয় ধাঁচের খাবার প্রদাহ কমাতে সবচেয়ে কার্যকর। এই খাদ্যতালিকায় ফলমূল, শাকসবজি, পূর্ণ শস্য, বাদাম ও অলিভ অয়েলের মতো স্বাস্থ্যকর চর্বি প্রাধান্য পায়। অন্যদিকে, প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত চিনি, লাল মাংস ও ডুবো তেলে ভাজা খাবার শরীরে প্রদাহের মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

প্রদাহ কমাতে পাতে রাখবেন যেসব খাবার:

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: চর্বিযুক্ত মাছ (স্যামন, টুনা), চিয়া বীজ, আখরোট ও তিসির তেল।

পলিফেনল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: ব্লুবেরি, আপেল, সাইট্রাস ফল, গ্রিন টি ও ডার্ক চকলেট।

ফাইবার ও আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট: ওটস, বার্লি, বিভিন্ন বাদাম ও উদ্ভিজ্জ তেল।

প্রো-বায়োটিক: টকদই ও প্রাকৃতিকভাবে গাঁজানো খাবার (ফার্মেন্টেড ফুড)।

যেসব খাবার বর্জন বা সীমিত করবেন:

অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার: প্যাকেটজাত স্ন্যাকস, চিনিযুক্ত সিরিয়াল ও সস।

চর্বিযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত মাংস: স্টেক, সসেজ, বেকন ও হট ডগ।

পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট: সাদা ভাত, ময়দা ও কোমল পানীয়।

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা, ধূমপান বর্জন এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ কমিয়ে শরীর সুস্থ রাখা সম্ভব।

( নেত্রকোণার আলো ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। )

Comments are closed.




© All rights reserved © 2024 www.netrakon-r-alo.com