সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
নেত্রকোণার মদনে ১১ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের জৈবিক পিতা হিসেবে মামলার আসামি মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর শনাক্ত হয়েছেন। সোমবার (২৪ আগস্ট) আদালতে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন দাখিলের পর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল। তিনি জানান, আদালত আগামী ৬০ দিনের মধ্যে মামলাটির বিচারকাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে আমান উল্লাহ একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। মা-বাবার বিচ্ছেদের পর ভুক্তভোগী শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়ত। একপর্যায়ে শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন নজরে এলে গত ১৮ এপ্রিল ক্লিনিকে পরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসকরা তাকে অন্তঃসত্ত্বা বলে জানান। এ ঘটনায় ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
গত ৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র্যাব অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। রিমান্ড শেষে আদালতের নির্দেশে আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
এদিকে আদালতের আদেশে গত ১২ মে শিশুটিকে সিলেটের একটি সরকারি সেফ হোমে পাঠানো হয়। সেখানে গত ২ জুলাই সে একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেয়। পরবর্তীতে আদালতের অনুমতি নিয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নবজাতকের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে। চূড়ান্ত ডিএনএ প্রতিবেদনে মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরকে নবজাতকের জৈবিক বাবা হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে।