রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
নেত্রকোণার বারহাট্টা অঞ্চলের তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি ও আত্মকর্মসংস্থানকে উৎসাহিত করতে “আলোকিত বারহাট্টা” কর্মসূচির আওতায় ঝিনুক থেকে মুক্তা চাষ প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। উদ্যোক্তা প্রীতম সোহাগ ও তাঁর সহধর্মিণী সামিরা নাজনীন জান্নাত এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় তরুণদের স্বাবলম্বী করতে চান।
কেন মুক্তা চাষ?
বারহাট্টার হাওর, নদী, পুকুর ও জলাশয়সমৃদ্ধ পরিবেশ মুক্তা চাষের জন্য আদর্শ। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছাদে মুক্তা চাষ করেই অনেকে সফল হয়েছেন, সেখানে বারহাট্টার মতো জলমগ্ন এলাকায় এটি আরও সম্ভাবনাময়। পরিকল্পনাটি সফল হলে মুক্তা চাষ বারহাট্টার একটি বিশেষ শিল্পে পরিণত হতে পারে।
প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ও ধাপ
✅ স্থানীয় তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি
✅ উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মুক্তা চাষে দক্ষতা বৃদ্ধি
✅ আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন
✅ বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও প্রাথমিক মূলধন প্রদান
প্রাথমিকভাবে কী করা হবে?
বারহাট্টার সাতটি ইউনিয়ন থেকে সাতজন তরুণ-তরুণী নির্বাচন করা হবে, যারা উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য তিন থেকে সাত দিনের প্রশিক্ষণে অংশ নেবে। তাঁদের যাতায়াত, প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম এবং প্রাথমিক মূলধন উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে স্পনসর করা হবে।
কীভাবে আবেদন করবেন?
আবেদনকারীদের অন্তত অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে।
নিজের নাম, স্থায়ী ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র এবং মুক্তা চাষ নিয়ে নিজের পরিকল্পনা লিখে Samira Naznin Jannat-এর ফেইসবুকে ইনবক্সে পাঠাতে হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, রাত ১২:০০টা। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবেন সামিরা নাজনীন জান্নাত।
উদ্যোক্তা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক প্রীতম সোহাগ বলেন, আমাদের বারহাট্টায় প্রচুর জলাশয় রয়েছে, যা শুধু মাছ চাষেই নয়, মুক্তা চাষের মাধ্যমেও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবহার করা যেতে পারে। আমরা চাই তরুণদের নতুন সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে নিতে।
স্বপ্নদ্রষ্টা সামিরা নাজনীন জান্নাত বলেন, আমরা শুধু প্রশিক্ষণই দেব না, বরং শুরুতে মূলধন ও বাজার সংযোগের দিকেও নজর দেব, যেন বারহাট্টার তরুণরা মুক্তা চাষের মাধ্যমে নিজেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে। যারা মুক্তা চাষে আগ্রহী, দ্রুত আবেদন করুন! এটি হতে পারে আপনার ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের প্রথম ধাপ!