শনিবার, ১৩ Jun ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ এবং বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে পারিবারিক বাজেটের গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। মাসের শুরুতে একটি সুপরিকল্পিত বাজেট তৈরি করলে খরচ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সঞ্চয় ও ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। বিশ্বখ্যাত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ফিডেলিটির প্রতিবেদন এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, একটি কার্যকর পারিবারিক বাজেট তৈরির কয়েকটি সহজ ও প্রয়োজনীয় ধাপ নিচে তুলে ধরা হলো:
আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব: বাজেট তৈরির প্রথম ধাপ হলো পরিবারের মোট মাসিক আয় (বেতন, ব্যবসা বা অন্যান্য উৎস) নির্ধারণ করা। এরপর গত কয়েক মাসের খরচের ওপর ভিত্তি করে ব্যয়ের একটি তালিকা তৈরি করতে হবে।
প্রয়োজন ও ইচ্ছার পার্থক্য: বাসাভাড়া, খাবার, বিদ্যুৎ বিল, চিকিৎসা ও শিক্ষার মতো অতিপ্রয়োজনীয় ব্যয়গুলোকে আগে প্রাধান্য দিন। ঘন ঘন বাইরে খাওয়া বা বিলাসী কেনাকাটার মতো ইচ্ছাভিত্তিক খরচগুলো পরে সামর্থ্য অনুযায়ী বিবেচনা করুন।
আগে সঞ্চয়, পরে খরচ: মাস শেষে অবশিষ্ট টাকা সঞ্চয় করার চেয়ে আয় হাতে পাওয়ার পরপরই একটি নির্দিষ্ট অংশ আগে আলাদা করে রাখার অভ্যাস করুন।
জরুরি তহবিল : হঠাৎ অসুস্থতা বা চাকরি হারানোর মতো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ধীরে ধীরে কয়েক মাসের খরচের সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে একটি জরুরি তহবিল গড়ে তুলুন।
ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা: ক্রেডিট কার্ড বা ব্যক্তিগত ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করুন, অন্যথায় সুদের চাপ বাড়বে।
প্রযুক্তির ব্যবহার ও মূল্যায়ন: দৈনিক আয়-ব্যয় লিপিবদ্ধ করতে মোবাইল অ্যাপ বা স্প্রেডশিট ব্যবহার করুন। প্রতি মাস শেষে পরিকল্পনার সাথে বাস্তব খরচের তুলনা করে পরবর্তী মাসের বাজেট আরও বাস্তবসম্মত করুন।
পরিবারকে সম্পৃক্ত করা: পরিবারের সবাইকে, বিশেষ করে সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই বাজেটের পরিকল্পনা ও সঞ্চয়ের গুরুত্ব শেখানো দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।